মহান নেতা মাও সেতুং এর সহিংসতা প্রসঙ্গে..

(llbangla.org)

মাথা আর ঢালপালা এক জিনিষ নয়; যখন তুমি মাথা কেটে ফেলবে তখন তা আর বাড়তে পাড়বে না

বিপ্লব কোন ডিনার পার্টি নয়। বিপ্লব মানেই হলো সহিংস কর্মকান্ডের সমারোহ। সহিংসতাকে অস্বীকার করা, আর বিপ্লবকে অস্বীকার করা সমান কথা। প্রচলিত সমাজব্যবস্থা বিপ্লবের চেয়ে ও মারাত্মক সহিংস। এটা আমাদের সকল সময় মনে রাখা উচিৎ। বিপ্লবের সহিংসতা পুঁিজবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ভংয়কর সন্ত্রাসের তুলনায় নেহায়েতই একটি মামুলি বিষয়। মহান মাও দৃঢ় ভাবে ঘোষণা করেন, আমরা এমন এক লড়াই শুরু করেছি যা সকল যুদ্ধের ইতিটানবে। তবে মাও আরো বলেন, মাথা আর ঢালপালা এক জিনিষ নয়; যখন তুমি মাথা কেটে ফেলবে তখন তা আর বাড়তে পাড়বে না। মাওবাদীরা সকল সময়েই যতদূর সম্ভব রক্তপাত এড়াতে চায়। বরং মাওবাদীরা সকল সময় বিরুধীদেরকে সকল বিষয়ে সচেতন করতে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে থাকে। মাওবাদ প্রয়োগ কালে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মাও বাদীরা সর্বদা তার দুষমনদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে থাকে। বেশীরভাগ মাওবাদী সহিংস ঘটনা ঘটেছিল তরুণ রেডগার্ডদের নেতৃত্বে সংশোধনবাদী চক্রের বিরুদ্ধে। যা জ্যাকুবিন সহিংসতা নামে পরিচিত। তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে রাজপথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। তবে, মাওবাদীরাই সহিংসতার সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন। সংশোধনপন্থীরা প্রায়সই মাওবাদীদেরকে নিন্দাবাদ করত। স্থানীয় পর্যায়ে সংশোধনবাদী নেতারা নিরাপত্তা কর্মীদেরকে উত্তেজিত ও প্ররোচিত করত। উদাহর হিসাবে একজন বিশেষজ্ঞের মতামত উল্লেখ করা যায়, তিনি বলেছেন, সংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় বেশীর ভাগ মাওবাদীই মারা গেছেন যখন তাদেরকে সংশোধনবাদীদের নিয়ন্ত্রনে রাখা হয়েছিল। সত্যিকার ইতিহাস হলো কোন মাওবাদীই নিরিহ মানুষের কেশাগ্র ও র্স্পশ করেনি। একটি রাজনৈতিক মতবাদ হিসাবে মাওবাদ সর্বদাই সহিংসতা এড়াতে চায়। আর তাই মাও ঘোষনা করেছিলেন, আমরা এমন এক যুদ্ধে লিপ্ত যা দুনিয়ার সকল যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটাবে। লিডিং লাইট যতদূর সম্ভব মানুষকে বুঝাবে এবং রাজনৈতিক ভাবে সচেতন করার প্রচেষ্টা চালাবে। একেএম শিহাব।

Advertisements